প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক >

ইরানি মিসাইল ধ্বংস করেও রক্ষা পাচ্ছে না ইসরাইল, আহত আরও ১

article-img

ইরানের ওপর গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার পর থেকে সমুচিত জবাব দিয়ে যাচ্ছে তেহরান। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে সরাসরি আঘাত হানছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ডটিতে, কিন্তু চার স্তুরের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকায় অধিকাংশ মিসাইল ঠেকিয়ে দিচ্ছে তেল আবিব।

তাতেও তারা রক্ষা পাচ্ছে না; ধ্বংস হওয়ার পর টুকরোগুলোও একেকটি রকেটের মতো কাজ করছে। ঘটছে অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানীর ঘটনা। এতে সংঘাতের ১৭তম দিন সোমবার (১৬ মার্চ) নতুন করে আরও এক ইসরাইলি আহত হয়েছে।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের একটি প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ মধ্য ইসরাইলের বেশ কয়েকটি স্থানে আঘাত হেনেছে। ইসরাইলি চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, তেল আবিবের কাছে শোহাম, রিশন লেজিয়ন, লোদ এবং নেস জিওনা শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের খণ্ডাংশগুলো পড়েছে। এতে একজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। 

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৬ মার্চ) মধ্য ইসরাইলের বেশ কয়েকটি স্থানে ইরানের একটি প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অঞ্চলজুড়ে চলমান সংঘাতের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।

ইরানের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর পাল্টা হামলায় ৩ হাজার ৩৫০ জনেরও বেশি ইসরাইলি আহত হয়েছে।

ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক ব্যক্তিসহ অন্তত ৩ হাজার ৩৬৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই সংখ্যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আহত হওয়া ১৪২ জনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

এদিকে এখন পর্যন্ত ১০জনের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হলেও এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন শুরু করে দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে সরাসরি ইসরাইলে আঘাত হানার পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায়ও আক্রমণ করছে ইরান।


আরো খবর